
শিক্ষা মানুষের সম্ভাবনাকে বিকশিত করে এবং তাকে আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত সাফল্য কেবল ভালো ফলাফলে নয়; তার জ্ঞান, চরিত্র, দক্ষতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার মধ্যেই নিহিত। তাই সময়োপযোগী শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম এবং একটি ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। কলেজের ওয়েবসাইটটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ জ্ঞান, দক্ষতা ও আদর্শের এক উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে যাক—এই প্রত্যাশা করি।
মোঃ নূরুল ইসলামআমার কথা
সুলতান মঈন আহমেদ রবিন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর. এন. আর গ্রুপ
সু-শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। উন্নত জীবন যাপনের জন্য চাই সু-শিক্ষা। শিক্ষাই জাতির একমাত্র উন্নয়নের সিঁড়ি। আমার দৃষ্টিকোন থেকে আমার বাবা ড. রেদোয়ান আহমেদ একজন সফল রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, শিল্পপতি, জনগণের সেবক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নামে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করায় আমি সন্তান হিসাবে অনেক গর্ববোধ করি। এছাড়াও আমার বাবা গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রথম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি সত্যিকারের একজন শিক্ষানুরাগী। শতভাগ সফলতার সাথে নিজে সু-শিক্ষা লাভ করেছেন এবং সন্তান হিসেবে আমাকেও সু-শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর প্রাত্যহিক কর্মমূখর জীবনে চান্দিনার শিক্ষা, যোগাযোগ, মাটি ও মানুষের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একাত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শাখায় অধ্যয়নরত অবস্থায় "জেড ফোর্সের" অধীনে ছাত্র প্লাটুনের লিডার হিসেবে তিনি সক্রিয় ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্নেহ ও আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে অত্যন্ত তরুন বয়সেই তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জনসেবার প্রথম ধাপে তিনি শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দেন। তাই তিনি ১৯৮০ সালে চান্দিনার প্রাণকেন্দ্রে আমার মায়ের গহনা বিক্রি করে প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ, যা বর্তমানে রেদোয়ান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে চান্দিনার মধ্যস্থানে মহিচাইলে গ্রামের নিরীহ ও দরিদ্র মানুষের উচ্চ শিক্ষার প্রসার ঘটাতে প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ। এর পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির স্মরণে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ। মাধ্যমিক পর্যায়েও শিক্ষা প্রসারে তিনি ৮টি উচ্চ বিদ্যালয়, বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। আমি মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজটির সফলতা কামনা করছি এবং যুগযুগ ধরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিক এবং সু-শিক্ষার পাদপীঠ হিসেবে উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক এ শুভ কামনা রইল।