মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ
Madhaiya Muktijodda Smriti College
নাওতলা, মাধাইয়া, চান্দিনা, কুমিল্লা।
খবর
  • testttest

  • test

  • মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ

  • মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ

  • মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ

অধ্যক্ষের বাণী

শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজের সকল অমানিশার অন্ধকার দূর করে। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প ও যোগাযোগ সহ চান্দিনার সকল উন্নয়নের রূপকার হিসেবে যার নাম না বললেই নয়, তিনি হলেন ড. রেদোয়ান আহমেদ। নানা প্রতিকূলতার কারণে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ যখন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা সহ সকল দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছিল ঠিক তখনি আলোক বর্তিকা হাতে নিয়ে এই অনগ্রসর জনগোষ্ঠির কথা চিন্তা করে তাদের এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য এবং মাধাইয়া অঞ্চলের গণমানুষের দীর্ঘ দিনের দাবীর কথা বিবেচনা করে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক ও গণমানুষের মুক্তির জাগরণের অগ্রপথিক বিশিষ্ট শিল্পপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ ১৯৯৯ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মনোরম পরিবেশে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্রতিষ্ঠা করেন মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ। কলেজটি প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে নানা বাধা-বিপত্তি আসে, যা আজও চলমান। এক শ্রেণির স্বার্থলিপু মানুষ দ্বারা তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ বার বার বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। তিনি সকল বাঁধাকে জয় করে নানান প্রতিকূল অবস্থায় সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠা করেন এই কলেজটি। যা ঐ সময়ে মোটেও সহজসাধ্য ব্যাপার ছিল না। তিনি ঐ সময়ের চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করেছেন। দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন। দমাতে পারেনি তাঁর এই মহৎ উদ্যোগকে-যা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রশংসার দাবীদার। এছাড়াও তিনি অত্র উপজেলায় ৩টি কলেজ, ৮টি উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।

কলেজটি ২০০৪ সালে এমপিও ভূক্তি লাভ করে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা- তিনটি বিভাগই চালু আছে এখানে। বর্তমানে কলেজটিতে 43 জন প্রভাষক, প্রদর্শক, সহকারি গ্রন্থাগারিক, ৬ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬৫০ জন। মান সম্মত শিক্ষা, জিপিএ-৫ ও ভাল ফলাফলের জন্য ২০০৮ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অত্র কলেজটি অভিনন্দন সূচক সনদ লাভ করে এবং চান্দিনা উপজেলায় এ কলেজটি বরাবরই ফলাফলে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে আসছে। ঢাকাস্থ চান্দিনা জনকল্যাণ বৃত্তিতেও অত্র কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এছাড়াও অত্র কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিন একাডেমি ও মেডিকেলে পড়ার সুযোগ লাভ করে।

আমিও চেষ্টা করব শিক্ষা-সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায়, শিক্ষার্থীদের মেধা-মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে অত্র কলেজটিকে বাংলাদেশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলে তাঁর মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে। নিয়মিত ক্লাস, টিউটরিয়াল, মাসিক, অর্ধবার্ষিক, বার্ষিক পরীক্ষা ও সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধাবী, ভালো ফলাফল অর্জনে আগামী দিনের সুযোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা রাখছি।

মোঃ নূরুল ইসলাম
অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)
মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ
সভাপতির বাণী

আমার কথা
সুলতান মঈন আহমেদ রবিন
ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর. এন. আর গ্রুপ

সু-শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। উন্নত জীবন যাপনের জন্য চাই সু-শিক্ষা। শিক্ষাই জাতির একমাত্র উন্নয়নের সিঁড়ি। আমার দৃষ্টিকোন থেকে আমার বাবা ড. রেদোয়ান আহমেদ একজন সফল রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, শিল্পপতি, জনগণের সেবক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নামে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করায় আমি সন্তান হিসাবে অনেক গর্ববোধ করি। এছাড়াও আমার বাবা গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রথম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি সত্যিকারের একজন শিক্ষানুরাগী। শতভাগ সফলতার সাথে নিজে সু-শিক্ষা লাভ করেছেন এবং সন্তান হিসেবে আমাকেও সু-শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর প্রাত্যহিক কর্মমূখর জীবনে চান্দিনার শিক্ষা, যোগাযোগ, মাটি ও মানুষের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একাত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শাখায় অধ্যয়নরত অবস্থায় "জেড ফোর্সের" অধীনে ছাত্র প্লাটুনের লিডার হিসেবে তিনি সক্রিয় ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্নেহ ও আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে অত্যন্ত তরুন বয়সেই তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জনসেবার প্রথম ধাপে তিনি শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দেন। তাই তিনি ১৯৮০ সালে চান্দিনার প্রাণকেন্দ্রে আমার মায়ের গহনা বিক্রি করে প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ, যা বর্তমানে রেদোয়ান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে চান্দিনার মধ্যস্থানে মহিচাইলে গ্রামের নিরীহ ও দরিদ্র মানুষের উচ্চ শিক্ষার প্রসার ঘটাতে প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ। এর পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির স্মরণে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ। মাধ্যমিক পর্যায়েও শিক্ষা প্রসারে তিনি ৮টি উচ্চ বিদ্যালয়, বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। আমি মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজটির সফলতা কামনা করছি এবং যুগযুগ ধরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিক এবং সু-শিক্ষার পাদপীঠ হিসেবে উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক এ শুভ কামনা রইল।


(সুলতান মঈন আহমেদ রবিন)
নোটিশ বোর্ড
Total Visitor: Must See Places In Paris